আমার চেতনার রঙে রাঙানো এই খেলা ঘরে:

~0~0~! আপনাকে স্বাগতম !~0~0~

***************************************************



Monday, 2 November 2009

Bid Farewell to the Hegemony of English from Internet World


 ইনটারনেট বিশ্বের থেকে 
ইংরেজির আধিপত্যকে বিদেয় জানান

আজ থেকে ৭ বছর আগে ২০০২তে তিনসুকিয়া থেকে প্রকাশিত ছোট কাগজ ‘দৃষ্টি’তে ‘অসমে ব্যবহারিক বাংলা শিক্ষার এক সংকট’ নামে এক প্রবন্ধে আমি লিখেছিলাম , ‘কম্প্যুটার ইংরেজি ছাড়া বোঝেনা—এ অবশ্য ডাহা মিথ্যা প্রচার। তা যদি সত্যও হয় তবে ভারতবর্ষ সেই দেশ যেখানে তাকে বহু ভাষার পাঠ দেয়া যায়। সে পাঠ না নেয়, তবে পুরোনো প্রযুক্তির আস্তাকুড়ে তাকে ঝেড়ে ফেলে আমাদের তৈরি করে নিতে হবে আরো আধুনিক সেই যন্ত্র যে ঈশ্বরের পাশে বসবে না। স্বয়ং ঈশ্বরকে -–যিনি বাংলা বোঝেন না—জায়গা ছাড়ার নোটিশ দেবে। যে বলবে—শুনবে বোঝবে শুধু ইংরেজি নয়—মানুষের ভাষা। তার মাতৃভাষা। সে ভাষার শত বৈচিত্রকে সে বুকে ধরবে পরম গৌরবে আর মমতায়। অচিরেই তা হতে যাচ্ছে বলে আমাদের বিশ্বাস। এবং কম্প্যুটারই তা করবে...।”        ( উপরের চিত্ররূপে থাকে লেখাটার ৫ম পৃষ্ঠা দেখুন।নিচে চিত্ররূপে পুরো লেখাটা পড়ুন।)
    আজ এই ২০০৯তে আমার সে বিশ্বাস সত্য হতে চলেছে। ইনটারনেট কোর্পোরেশন ফর এসাইনড নেমস এণ্ড নাম্বার্স নামের আন্তর্জাতিক সংস্থাটি এই কাজ করতে চলেছে। এবং ইন্টারনেট থেকে ইংরেজির আধিপত্য একরকম বিদেয় নিতে চলেছে। সিওলে এদের সাম্প্রতিক এক সভার শেষে সংস্থাটির হয়ে চেয়ারমেন পিটার ডেঙ্গেট থ্রাস সাংবাদিকদের বলেছেন, চার দশক আগে ইন্টারনেটের যাত্রা শুরুর পর এই প্রথম এক সর্ববৃহৎ  প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। একে তিনি বলছেন ইনটারনেটের আন্তর্জাতিকীকরণের পক্ষে প্রথম এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ! এটি  পরিষ্কার যে পৃথিবীর তৃতীয় জনপ্রিয় ভাষা ইংরেজি দিয়ে যে সত্যিকারেরে আন্তর্জতিকীকরণ সম্ভব হচ্ছে না এটা অন্তত; ব্যবসায়িক স্বার্থে হলেও এই প্রযুক্তিবিদেরা এখন স্বীকার করতে চলেছেন।
    এই ঘটনা শুধু, কম্প্যুটার প্রযুক্তিতেই বিপ্লব আনতে যাচ্ছে না। এর এক সুদূর প্রসারী সাংস্কৃতিক –রাজনৈতিক প্রভাব সারা বিশ্বেই পড়তে যাচ্ছে। সারা পৃথিবীতেই এবারে টিভি চ্যানেলগুলোর মতোই ইনটারনেট ব্যবসায়ীরাও মাতৃভাষার প্রচার ও প্রসারে জোর দিতে যাচ্ছে। এবং ভারতের মতো দেশে ইংরেজি জানা 'সাহেব'রা এবারে ‘সেকেলে’ হতে চললেন। মাতৃভাষার বিজয় হোক, জয় হোক বাংলা ভাষার !!
==================================================
               I wrote the piece bellow in English for PRAGYAN's next issue.
==================================================

With Non-Latin Code Internet will be 
Internationalised for the First Time:
A Historic Technological Step Forward by ICANN .
          Seven Years, ago in 2002, I wrote an article ‘অসমে ব্যবহারিক বাংলা শিক্ষার সংকট in ‘দৃষ্টি (Dristi), a Bengali little magazine of Tinsukia of those days. People keep saying that this is the Computer age; hence we have no other alternative to English as a Global Communicative language.  I wrote on that notion,  “কম্প্যুটার ইংরেজি ছাড়া বোঝেনাএ অবশ্য ডাহা মিথ্যা প্রচারতা যদি সত্যও হয় তবে ভারতবর্ষ সেই দেশ যেখানে তাকে বহু ভাষার পাঠ দেয়া যায়সে পাঠ না নেয়, তবে পুরোণো প্রযুক্তির আস্তাকুড়ে তাকে ঝেড়ে ফেলে আমাদের তৈরি করে নিতে হবে আরো আধুনিক সেই যন্ত্র যে ঈশ্বরের পাশে বসবে নাস্বয়ং ঈশ্বরকে যিনি বাংলা বোঝেন নাজায়গা ছাড়ার নোটিশ দেবেযে বলবেশুনবে বোঝবে শুধু ইংরেজি নয়মানুষের ভাষাতার মাতৃভাষাসে ভাষার শত বৈচিত্রকে সে বুকে ধরবে পরম গৌরবে আর মমতায়অচিরেই তা হতে যাচ্ছে বলে আমাদের বিশ্বাসএবং কম্প্যুটারই তা করবে...”            The gist of the quotation is that the computer will teach us how to be Multilingual, here in India.
            It’s my pleasure to announce here that my prediction of those days is no more a dream but the reality now. The Internet Corporation for Assigned Names and Numbers board (ICANN) is bringing the almost all the languages of the world to the Global Internet. ICANN is an internationally organized, public benefit non-profit company and responsible for the global coordination of the Internet's system of unique identifiers like domain names (like .org, .museum and country codes like .uk) and the addresses used in a variety of Internet protocols that help computers reach each other over the Internet. Careful management of these resources is vital to the Internet's operation, so ICANN's global stakeholders meet regularly to develop policies that ensure the Internet's ongoing security and stability. In an recent meeting of ICANN held  at Seoul, the South Korean Capital, on 30th October,09 they approved a proposal to introduce internet  addresses containing non-Latin characters from start to finish  online. They call the proposal ‘The new Internationalized Domain Name Fast Track Process’
According to ICANN chairman Peter Dengate Thrush it’s biggest technological shift in Internet’s four decades old history  Right now Internet address endings are limited to Latin characters – A to Z. But the Fast Track Process is the first step in bringing the 100,000 characters of the languages of the world online for domain names.
          ICANN's Fast Track Process started working from 16 November 2009. It will allow nations and territories to apply for Internet extensions reflecting their name – and made up of characters from their national language. If the applications meet criteria that include government and community support and a stability evaluation, the applicants will be approved to start accepting registrations.  This means Hindi will get the first preference in India. But, this is only the first step. Latter on other languages like Bengali, Assamese, Manipuri will not be left behind.
All of our non-English users should agree with Rod Beckstrom, ICANN's President and CEO , while he says, “It is an incredibly big one and a historic move toward the internationalization of the Internet," He also has opined  "The first countries that participate will not only be providing valuable information of the operation of IDNs in the domain name system, they are also going to help to bring the first of billions more people online – people who never use Roman characters in their daily lives."   IDNs have been a topic of discussion since before ICANN's inception. It's taken years of intense technical testing, policy development, and global co-operation to prepare the Fast Track process for its coming launch. The work on IDNs has gone through numerous drafts, dozens of tests, and an incredible amount of development by volunteers since ICANN started this project. October, 30’s meeting was the first step in moving from planning and implementation to the real launch. The launch of the Fast Track Process will be an amazing change to make the Internet a more popular and valuable household tool like Television around the globe. It’s not only the technological progress of the first decade of the century; rather business equations are also equally working behind the forward technological step.  
Like Television, this technological jump of Web World will have a huge cultural and political impact on diverse Global societies, leave alone the economical and scientific significances.  At least we should be sure enough that the days of  the myth on the English language as a Global language are now numbered. For more on the topic one can log on : HERE



Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

Google+ Badge

^ Back to Top--'উপরে ফিরে আসুন'